লোহাগাড়া বটতলী ব্যবসায়ী কল্যাণ সমবায় সমিতি লিঃ
সমিতির প্রতিটি টাকার হিসাব, এক পরিষ্কার খাতায়।
সদস্য, আমানত, ঋণ আর বছর শেষের হিসাব এখন এক জায়গায়। অফিস প্রতিটি লেনদেন লেখে, আর প্রত্যেক সদস্য নিজের পাসবই নিজেই দেখতে পারেন।
- পয়সা পর্যন্ত নির্ভুল হিসাব
- বাংলা ও ইংরেজি
- ফোন, ট্যাবলেট ও কম্পিউটারে
সদস্য পাসবই
সদস্য নং LBKS-০০০০

সমিতির পুরো কাজ, ছয় ভাগে
কাগজের খাতায় যা যা লেখা হতো, তার প্রতিটির জন্য অ্যাপে আলাদা জায়গা আছে।
সদস্য ও নমিনি
সদস্যের তথ্য, ব্যবসা, ঠিকানা আর সর্বোচ্চ দুজন নমিনি। সদস্যপদ সক্রিয়, নিষ্ক্রিয়, স্থগিত বা ত্যাগ।
আমানত, শেয়ার ও স্থায়ী আমানত
প্রতিটি জমা আর উত্তোলন সদস্যের পাসবইয়ে ওঠে। উত্তোলনের সীমা অ্যাপ নিজেই যাচাই করে।
ঋণ ও কিস্তি
আবেদন, অনুমোদন, ঋণ প্রদান আর কিস্তি আদায়। সুদ আর কিস্তির তালিকা অ্যাপ হিসাব করে।
নগদ, ব্যাংক ও সমিতির লেনদেন
ক্যাশ বই, ব্যাংক হিসাব, আয়-ব্যয়, সম্পদ-দায় আর এক হিসাব থেকে আরেক হিসাবে টাকা নেওয়া।
বছর শেষের হিসাব
সার্ভিস চার্জ, অবচয়, লভ্যাংশ আর লাভ বণ্টন। প্রতিটি ধাপ আগে দেখে নিয়ে তারপর চালানো হয়।
রিপোর্ট
প্রাপ্তি ও প্রদান, আয়-ব্যয় হিসাব, উদ্বৃত্ত পত্র, রেওয়ামিল আর লভ্যাংশ তালিকা। প্রিন্টও করা যায়।
যাঁর যে কাজ, তাঁর সেই পাতা
অফিস ও কমিটি
অ্যাডমিন আর সুপার অ্যাডমিন হিসেবে লগইন করে সমিতির দৈনন্দিন কাজ।
- নতুন সদস্য যোগ আর তথ্য হালনাগাদ
- জমা, উত্তোলন আর কিস্তি লেখা
- ভুল এন্ট্রি রিভার্স করে ঠিক করা
- ড্যাশবোর্ডে বাকি কাজের তালিকা
- বছর শেষের হিসাব আর রিপোর্ট
- সেটিংস আর অ্যাডমিন অ্যাকাউন্ট (সুপার অ্যাডমিন)
সদস্য
সদস্য নম্বর দিয়ে লগইন করে শুধু নিজের হিসাব দেখা।
- আমানত, শেয়ার, স্থায়ী আমানত ও বকেয়া ঋণ
- তারিখসহ পুরো পাসবই
- নিজের ঋণ আর পরের কিস্তি
- সর্বশেষ লভ্যাংশ আর বকেয়া সার্ভিস চার্জ
- নিজের সদস্যপদ আর নমিনির তথ্য
- নিজের পাসওয়ার্ড বদল
এক অর্থবছর, জুলাই থেকে জুন
সমিতির বছর যেভাবে চলে, অ্যাপও সেভাবেই চলে। বছর শেষের প্রতিটি ধাপ ক্রম মেনে হয়।
- 1
১ জুলাই
নতুন বছর শুরু
সদস্য আর সমিতির জের নতুন বছরে চলে আসে; আয়-ব্যয় নতুন করে গোনা শুরু।
- 2
সারা বছর
জমা, উত্তোলন ও ঋণ
অফিস প্রতিটি লেনদেন লেখে, সদস্য সঙ্গে সঙ্গে নিজের পাসবইয়ে দেখেন।
- 3
বছর শেষে
সার্ভিস চার্জ ও অবচয়
আমানত থেকে বছরের চার্জ কাটা হয়। টাকা কম থাকলে বাকিটা পরের জমা থেকে আদায়।
- 4
বছর শেষে
লভ্যাংশ
কমিটির ঠিক করা টাকা সক্রিয় সদস্যদের মধ্যে সেটিংসের সীমা মেনে ভাগ হয়।
বছর শেষে
লাভ বণ্টন ও হিসাব বন্ধ
নিট লাভ তহবিলে যায়, আর পুরোনো বছরের হিসাব তালাবন্ধ হয়।
হিসাব যেন নিজেই নিজের সাক্ষী হয়
ভুল মুছে ফেলা হয় না
ভুল এন্ট্রি রিভার্স হয়। আসল আর উল্টো, দুটো এন্ট্রিই খাতায় থেকে যায়।
বন্ধ বছর তালাবন্ধ
বছর বন্ধের পর সেই বছরের তারিখে নতুন এন্ট্রি বা রিভার্স কেউ করতে পারেন না।
যাঁর যতটুকু অনুমতি
সুপার অ্যাডমিন, অ্যাডমিন আর সদস্য — প্রত্যেকে শুধু নিজের অনুমতির কাজ করতে পারেন।
প্রতিটি এন্ট্রিতে নাম
কোন এন্ট্রি কে কখন লিখেছেন, তা প্রতিটি লেনদেনের সাথে থাকে।
পয়সা পর্যন্ত নির্ভুল
সব টাকা পয়সায় রাখা হয়। কোথাও আন্দাজে রাউন্ড করা হয় না।
নিরাপদ লগইন
প্রথম লগইনে নিজের পাসওয়ার্ড দিতে হয়। বারবার ভুল পাসওয়ার্ড দিলে লগইন সাময়িক বন্ধ থাকে।
সাধারণ প্রশ্ন
কীভাবে সদস্য হব?
সমিতির অফিসে যোগাযোগ করুন। অফিস আপনার সদস্যপদ খুলে একটি সদস্য নম্বর দেবে, আর সাথে সাথে আপনার লগইন অ্যাকাউন্টও তৈরি হবে।
প্রথমবার কীভাবে লগইন করব?
সদস্য নম্বর আর আপনার নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর (প্রথম পাসওয়ার্ড) দিয়ে লগইন করুন। এরপর অ্যাপ নিজের একটি নতুন পাসওয়ার্ড দিতে বলবে।
পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কী করব?
অফিসে জানান। অ্যাডমিন রিসেট করলে পাসওয়ার্ড আবার আপনার মোবাইল নম্বর হয়ে যাবে, লগইনের পর নতুন পাসওয়ার্ড দেবেন।
অনলাইনে টাকা জমা দেওয়া যায়?
এখনো না। আগের মতো অফিসে জমা দিন। অফিস লেখার সাথে সাথে জমাটি আপনার পাসবইয়ে দেখা যাবে।
আমার হিসাব কে দেখতে পারেন?
আপনি নিজে আর সমিতির অফিস। অন্য কোনো সদস্য আপনার হিসাব দেখতে পারেন না।
লভ্যাংশ কীভাবে ঠিক হয়?
বছর শেষে কমিটি মোট টাকা ঠিক করে। সেটা সক্রিয় সদস্যদের আমানত আর স্থায়ী আমানতের অনুপাতে ভাগ হয়, সেটিংসে রাখা সীমা মেনে, আর সরাসরি আমানতে জমা হয়।
আপনার পাসবই এখনই দেখুন
সদস্য নম্বর আর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।